ডেস্ক নিউজঃ BDO পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো স্বর্ণ–ব্যবসায়ী খুনে অভিযুক্ত রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে। দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে ২৩ জানুয়ারি শুক্রবারের মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই নির্দেশের পরেই রাজগঞ্জের বিডিও পদ থেকে সারিয়ে দেওয়া হল প্রশান্ত বর্মনকে। তার জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজগঞ্জের জয়েন্ট বিডিও সৌরভ কান্তি মণ্ডলকে। দায়িত্ব পাওয়ার পরে সৌরভকান্তি মণ্ডল বলেন, বেশ কিছু কাজ থমকে ছিল। সেগুলি শুরু করা আমার কাছে প্রথম কাজ হবে।
গত ২৮ অক্টোবর সল্টলেকের দত্তাবাদের স্বর্ণ–ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে অপহরণ করার অভিযোগ ওঠে। ২৯ অক্টোবর বাগজোলা খালপাড়ের যাত্রাগাছি থেকে স্বপনের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। এর পরেই নিহত স্বর্ণ ব্যবসায়ীর পরিবারের তরফে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় অপহরণ ও খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ ওঠে রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে।
এরপরেই, আগাম জামিনের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করলেও তাঁর আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারক তাঁকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি। এ দিকে কলকাতা হাইকোর্ট আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করার পর থেকেই ‘নিখোঁজ’ প্রশান্ত বর্মন। হাইকোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রশান্ত। কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া না দিয়ে ২৩ জানুয়ারির মধ্যে তাঁকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত।